ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ কোন বংশের সন্তান ছিলেন ? |
আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ইবনে সৌদ ১৮৭৬ সালের ১৫ জানুয়ারি মধ্য আরবের নজদ অঞ্চলের রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্রের শেষ শাসক আবদুর রহমান বিন ফয়সাল ছিলেন তার বাবা। আল সৌদ তথা তার পরিবার মধ্য আরবে পূর্বের ১৩০ বছর ধরে শক্তিশালী ছিল। তারা ওয়াহাবি মতাদর্শের সমর্থক ছিলেন। সৌদিরা আরব উপদ্বীপের অনেকাংশ জয় করে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র গঠন করেছিল। পরে ১৯ শতকের প্রথমদিকে উসমানীয় শাসনাধীন মিশরের হাতে তা ধ্বংস হয়ে যায়। ইবনে সৌদের মা সারাহ আল সুদাইরি ছিলেন সুদাইরি গোত্রের সদস্য |
মোহাম্মদ আবদুল আজিজ মোহাম্মদ আবদুল আজিজের জন্ম কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাটশালা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম এম আবদুল মজিদ এবং মায়ের নাম সুফিযা মজিদ। তাঁর স্ত্রীর নাম নীলুফার আজিজ। তাঁদের দুই ছেলে। |
ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ ১৯৭৫ সালে বাদশাহ ফয়সাল নিহত হওয়ার পর ফাহাদকে ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ও যুবরাজ ঘোষণা করা হয়। ফাহাদের দুইজন বড় ভাই, নাসের বিন আবদুল আজিজ ও সাদ বিন আবদুল আজিজ, থাকলেও তাদের এই পদের জন্য অনুপযোগক্ত বিবেচনা করা হয়। তাছাড়া ফাহাদ ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী এবং ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করেছিলেন। যুবরাজ ও ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের কারণে ফাহাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। |
ফিরোজ শাহ তুগলক সুলতান ফিরোজ শাহ তুগলক (, ; জন্ম: ১৩০৯- মৃত্যু: ২০শে সেপ্টেম্বর ১৩৮৮) তুগলক রাজবংশের একজন শাসক যিনি মোহাম্মদ বিন তুগলক মৃত্যুর পর ১৩৫১ সালে দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন এবং ১৩৮৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকেন। তার মা ছিলেন দীপালপূরের একজন হিন্দু রাজকন্যা এবং পিতার নাম ছিলো রজব যিনি গিয়াসউদ্দিন তুগলকের ছোট ভাই এবং দীপালপুরের সিপাহসাহলার ছিলেন। সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুবরন করলে ১৩৫১ সালে তিনি ক্ষমতায় আসীন হন।ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর তার সাম্রাজ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পরে তাই মোহাম্মদ বিন তুগলকের চেয়ে তার সাম্রাজ্য অনেকটাই ছোট ছিল। তার রাজত্বকালে তিনি বাংলাকে আপাতঃ স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হন। |
আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ১৯২৭ সালে ইবনে সৌদ শুরা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে এর সদস্য বৃদ্ধি করে ২০জন করা হয় এবং বাদশাহর ছেলে ফয়সাল বিন আবদুল আজিজকে এর সভাপতি করা হয়। |
ফরিদা হোসেন ফরিদা হোসেন চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার শাহেরখালী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ফয়েজ আহমেদ ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শ্রমিক নেতা ও আই. এল. ও এর গর্ভনিং বডির প্রাক্তন পরিচালক এবং মা বেগম ফয়েজুন্নেছা একজন গৃহিণী। ফরিদা তাদের প্রথম কন্যা। |
ফরিদউদ্দিন গঞ্জেশকার ফরিদের বংশ ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনে আল খাত্তাব এর বংশের সাথে সর্ম্পকযুক্ত।ফরিদ যদিও ইব্রাহিম ইবনে আদম এর পৌত্র ছিলেন তিনি মুলতানে,যা মুসলমানদের শিক্ষার জন্য একটি কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। ফরিদ মুলতানেই তার পীর (আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক), কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকী, ভারতীয় উপমহাদেশের সুপরিচিত সুফি সাধক, এর সাথে দেখা হয় যিনিমুলতান হযে বাগদাদ হতে দিল্লিতে যাচ্ছিলেন। |
ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ ১৯৭০ সালে নাসেরের মৃত্যুর পর ফয়সাল মিশরের নতুন রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাতকে কাছে আনেন। আনোয়ার সাদাত নিজেও সোভিয়েত প্রভাব থেকে বের হয়ে আমেরিকাপন্থি শিবিরে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিলেন। ১৯৭৩ আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের প্রতি পশ্চিমা সমর্থনের কারণে ফয়সাল আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে তেলের মূল্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই ঘটনা তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে এবং বিশ্বব্যপী আরবদের মধ্যে তার জন্য মর্যাদা বয়ে আনে। ১৯৭৪ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে "ম্যান অব দ্য ইয়ার" ঘোষণা করে। সংকটের ফলে তেলের মূল্যবৃদ্ধি তার মৃত্যুর পর সৌদি আরবের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। তেল থেকে পাওয়া নতুন মুনাফা ফয়সালকে ছয় দিনের যুদ্ধের পর মিশর, সিরিয়া ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনকে সহায়তা বৃদ্ধিতে সক্ষম করে। সাধারণভাবে ধারণা করা হয় যে ফয়সালের তেল প্রত্যাহার করার কারণে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়। উল্লেখ্য তার হত্যাকারী অল্পকাল পূর্বেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে আসে। |
আল সৌদ বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের পুত্র ও নাতিদের ক্ষেত্রে রাজকীয় পদবি “হিজ রয়াল হাইনেস” ব্যবহৃত হয়। তবে অন্যান্য শাখা বংশের সদস্যদের ক্ষেত্রে “হিজ হাইনেস” ব্যবহৃত হয়। |
ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ গায়ক রবার্ট হান্টার ১৯৭৫ সালে "ব্লুস ফর আল্লাহ" এলবামে বাদশাহ ফয়সালের প্রশংসা করেছেন। ২০১৩ সালে আলেক্সেই ভাসিলেভ "কিং ফয়সাল অব সৌদি আরাবিয়া: পারসোনালিটি, ফেইথ এন্ড টাইমস" নামক জীবনী প্রকাশ করেছেন। |
সালাহউদ্দিন ইমাদউদ্দিনের বর্ণনা অনুযায়ী ১১৭৪ সালে মিশর ত্যাগের পূর্বে সালাহউদ্দিনের পাঁচ জন পুত্র ছিল। সালাহউদ্দিনের জ্যেষ্ঠ সন্তান আল আফদাল ইবনে সালাহউদ্দিন ১১৭০ সালে এবং আল আজিজ উসমান ১১৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয়জন সিরিয়ায় সালাহউদ্দিনের সাথে ছিলেন। তার তৃতীয় পুত্র ছিলেন আজ জহির গাজি। ইনি পরে আলেপ্পোর শাসক হন। ১১৭৭ সালে আল আফদানের মায়ের গর্ভে সালাহউদ্দিনের আরেক সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কালকাশান্দি কর্তৃক রক্ষিত চিঠিতে ১১৭৮ সালের মে মাসে তার বারোতম পুত্রের জন্মের সংবাদ পাওয়া যায়। তবে ইমাদউদ্দিনের তালিকা অনুযায়ী তা সালাহউদ্দিনের সপ্তম সন্তান। পুত্র মাসুদ ১১৭৫ সালে ও ইয়াকুব ১১৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। |
সুলতান বিন আবদুল আজিজ ২০০৫ সালের ১ আগস্ট সুলতান বিন আবদুল আজিজ যুবরাজ হিসেবে নিয়োগ পান। বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর ফলে এসময় তিনি সুদাইরি ভ্রাতৃবৃন্দের প্রধান ছিলেন। |
মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ (১৯১০ – ২৫ নভেম্বর ১৯৮৮) () ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ। ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত সংক্ষিপ্তকাল তিনি যুবরাজ ছিলেন। তিনি সৌদি রাজপরিবারের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। ১৯৮৮ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি তার ছোট ভাই বাদশাহ খালিদ ও বাদশাহ ফাহাদের ঘনিষ্ট ও বিশ্বস্ত উপদেষ্টা ছিলেন। |
নায়েফ বিন আবদুল আজিজ নায়েফ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ () (১৯৩৪ – ১৬ জুন ২০১২) ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ এবং প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী। ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করেছেন। |
ফয়সাল বিন তুর্কি বিন আবদুল্লাহ আল সৌদ ইমাম ফয়সাল ১৮৩৪ থেকে ১৮৩৮ সাল পর্যন্ত শাসন করেছেন। এরপর উসমানীয়রা তাকে নির্বাসন দেয়। ১৮৪৩ সালে তিনি ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সক্ষম হন এবং ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত শাসন করেন। |
সুলতান বিন আবদুল আজিজ সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ (১৯২৫ - ২২ অক্টোবর ২০১১) () ("সুলতান আল-খাইর" (, "উত্তমের সুলতান" নামেও পরিচিত) ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ। তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত যুবরাজ পদে ছিলেন। |
আবদুর রহমান বিন ফয়সাল আবদুর রহমানের ভাই সৌদ ও আবদুল্লাহ ১৮৬৫ সালে ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছিলেন। ১৮৭১ সালে সৌদ রিয়াদ দখল করে নেয়ার পর আবদুর রহমান ও তার ভাই মুহাম্মদ তার সাথে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আবদুর রহমানকে উসমানীয়দের কাছ থেকে সাহায্য বিষয়ে আলোচনার জন্য বাগদাদে পাঠানো হয়েছিল তবে তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। দুই বছর পর তিনি পূর্ব দিকের আল হাসা মরূদ্যান জয় করার চেষ্টা চালান তবে অভিযানে সফলতা আসেনি। এখানে এসময় আবদুল্লাহ অবস্থান করছিলেন। আবদুর রহমান রিয়াদ ফিরে যান। ১৮৭৫ সালে সৌদের মৃত্যুর পর আবদুর রহমানকে তার উত্তরসুরি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এক বছরের মধ্যে আবদুল্লাহ রিয়াদ দখল করে নেন। আবদুর রহমানকে ক্ষমতা ত্যাগ করতে হয়। |
আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শাইখ আবদুল আজিজ আল আশখ শেখ সৌদি আরবের পরিবারের সদস্য আল আশ-শেখ। তিনি ওয়াহাবীবাদ প্রতিষ্ঠার বংশধর, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব নাজদী। ১৯৯৯ সালের জুন মাসে তিনি আবদুল আজিজ ইবনে বাযের নেতৃত্বে রাজা ফাহদকে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি নিযুক্ত করেন। গ্র্যান্ড মুফতি ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে একটি ফতোয়া জারি করেছেন যে আত্মঘাতী বোমা হামলা "বড় অপরাধ" এবং বোমা হামলাকারিরা "ফাঁসির অপরাধী যারা তাদের কর্মের দ্বারা জাহান্নামে নিজেদেরকে নিয়ে যায়" । শেখ আত্মঘাতী বোমাবাজদের উদ্দেশ্য করে বলেন"তারা মনের লুণ্ঠিত ... যারা নিজেদেরকে শুধুমাত্র নিজেদের এবং সমাজ ধ্বংস করার জন্য (সরঞ্জাম হিসাবে) ব্যবহার করে।" আগস্ট ২০১৪ এর শেষের দিকে, তিনি ইসলামিক স্টেট অফ (আইএস) এবং লেভান্ট ও আল-কায়দার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "চরমপন্থী ও জঙ্গি চিন্তাধারা এবং সন্ত্রাসবাদ যা পৃথিবীতে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তার করে, মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করে, ইসলামের এরা কোনও অংশ নয়, বরং ইসলামের এক নম্বর শত্রু, এবং মুসলমানরাই তাদের প্রথম শিকার "। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, মিনা দুর্যোগ বিপর্যয়ের ১ দিন পর, যে ঘটনায় কমপক্ষে ১,৩৯৯ ... |
প্রথম ফুয়াদ সন্তান |
সৌদি আরবের ইতিহাস ১৯০২ সালে আল সউদের নেতা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ নির্বাসন থেকে কুয়েতে ফিরে এসে আল রশিদের সাথে সংঘর্ষ শুরু করে এবং রিয়াদকে আটক করে। বিজয়ীদের জয়ের একটি সিরিজ ১৯৩০ সালে সৌদি আরবকে শেষ পর্যন্ত আধুনিক রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে পরিণতি ঘটায়। এই বিজয় অর্জনের প্রধান হাতিয়ার ছিল সুলতান বিন বাজাদ আল উতাইবি এবং ফয়সাল আল দাউয়িশ এর নেতৃত্বাধীন ওয়াহাবী-বেদুঈন উপজাতীয় বাহিনী ইখওয়ান। |
ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ ফয়সালের একমাত্র বোন নুরাহর সাথে তার এক চাচাত ভাই খালিদ বিন মুহাম্মদের বিয়ে হয়। |
ফয়সাল আল দাউয়িশ ১৯২৯ সালে সাবিলার যুদ্ধে ফয়সাল আহত হন। তিনি পালিয়ে যান এবং পরবর্তীতে কুয়েতে ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। রাজা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ তাকে ক্ষমা করেন তবে পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৯৩১ সালে তিনি কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন। |
মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ মুহাম্মদ ১৯১০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের চতুর্থ পুত্র। তবে তার জন্মসাল হিসেবে ১৯০৯ সালও জানা যায়। উইলিয়াম এ এডির মতে তিনি আবদুল আজিজের তৃতীয় পুত্র। |
সৌদ বিন আবদুল আজিজ ১৩ বছর বয়সে সৌদের প্রথম রাজনৈতিক মিশন শুরু হয়। তিনি কাতারে একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। ১৯২১ সালে তিনি হাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ইয়েমেনে লড়াই করা সৌদি সেনাদের প্রধান হয়ে উঠেন। বাদশাহ হওয়ার আগে তিনি আটটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। |
দ্বিতীয় ফয়সাল তার বাল্যকালে ফয়সাল অন্যান্য বেশ কিছু ইরাকি বালকের সাথে রাজপ্রাসাদে শিক্ষালাভ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি স্বল্পকালের জন্য তার মায়ের সাথে যুক্তরাজ্যের বার্কশায়ারে অবস্থিত উইঙ্কফিল্ডের গ্রুভ লজে অবস্থান করেন। কিশোর অবস্থায় তিনি তার চাচাত ভাই হুসাইনের সাথে হেরো স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। নিজেদের রাজত্বকে একীভূত করার পরিকল্পনা তারা করেন বলে উল্লেখ করা হয়। |
প্রথম ফয়সাল ফয়সাল মক্কায়(বর্তমান সৌদি আরবে) ১৮৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মক্কার শরীফ হুসাইন বিন আলীর তৃতীয় পুত্র। তিনি ইস্তানবুলে বড় হন। নেতৃত্ব বিষয়ে তিনি তার পিতার কাছে শিক্ষালাভ করেন। ১৯১৩ সালে ফয়সাল অটোমান সংসদে জেদ্দার প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। |
ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ বাদশাহ সৌদ ও যুবরাজ ফয়সালের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বৃদ্ধি পায়। ১৯৬০ সালের ১৮ ডিসেম্বর ফয়সাল প্রতিবাদ হিসেবে পদত্যাগ করেন। বাদশাহ সৌদ ফয়সালের নির্বাহী ক্ষমতা ফিরিয়ে নেন এবং প্রিন্স তালালকে মিশর থেকে ফিরিয়ে এনে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৬২ সালে ফয়সাল রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করেন এবং দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হন। |
ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন আল মদিনা কলেজ অব থিওলজির রেক্টর আবদুল আজিজ ইবনে বাজ। ফয়সালের সমালোচনার কারণে তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। অনেকে চরমপন্থায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। এমন অন্যতম চরমপন্থি ছিলেন জুহাইমিন আল ওতাইবি। |
মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ তার আল জাওহারা বিনতে মুসাইদ আল জিলুওয়ি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ আল জিলুওয়ি গোত্রের সদস্য। আল সৌদ পরিবারের সাথে এই গোত্রের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল। বাদশাহ খালিদ বিন আবদুল আজিজ ছিলেন তার আপন ভাই। তার বোন আল আনুদের সাথে আবদুল আজিজের ভাই সাদ বিন আবদুর রহমানের ছেলেদের বিয়ে হয়। প্রথমে তার সাথে সৌদ বিন সাদের বিয়ে হয়েছিল। সৌদ মারা যাওয়ার পর সাদের আরেক ছেলে ফাহাদ বিন সাদের সাথে তার বিয়ে হয়। |
ফজল গাজী ফজল গাজী ভাওয়াল রাজ্যের প্রধান এবং গাজী বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন। তিনি ঈসা খাঁর একজন অনুসারীর সন্তান ছিলেন। তিনি শেরশাহ এবং সম্রাট আকবরের সমসাময়িক। বীরত্বের জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। |
আবদুর রহমান বিন ফয়সাল আবদুর রহমান বিন ফয়সাল আল সৌদ (১৮৫০–১৯২৮) ( / ALA-LC: "‘Abd ar Raḥman bin Fayṣal") ছিলেন দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্রের শেষ শাসক। তিনি ফয়সাল বিন তুর্কির ছেলে এবং আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের বাবা। |
ছত্রাক কোন কোষ দ্বারা গঠিত হয় ? |
ছত্রাক ছত্রাক ইউক্যারিওটিক কোষ দ্বারা গঠিত। |
প্রোটোপ্লাস্ট কোষ প্রাচীরের ঠিক নিচে সমস্ত প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে একটি সজীব ঝিল্লি আছে।এ ঝিল্লিকে কোষ ঝিল্লি বলে।একে প্লাজামামেমব্রেন,প্লাজমালেমা,সাইটোমেমব্রেন এসব নামেও অভিহিত করা হয়।তবে বর্তমানে অনেকে একে বায়োমেমব্রেন বলতে চান।ঝিল্লিটি স্থানে স্থানে ভাজ বিশিষ্ট হতে পারে।প্রতিটি ভাজকে মাইক্রোভিলাস বলে।কোষাভ্যন্তরট অধিক প্রবিষ্ট মাইক্রোভিলাসকে বলা হয় পিনোসাইটিক ফোস্কা। কোষঝিল্লির গঠন ব্যাখা করতে গিয়ে Danielli আর Davson (১৯৪৩) সর্বপ্রথম একটি সুনিদিষ্ট মডেল প্রস্তাব করেন।এটি Sandwitch মডেল নামে পরিচিত।তাদের মতে ঝিল্লিটি দ্বিস্তর বিশিষ্ট এবং প্রতি স্তরে প্রোটিন এবং লিপিড উপস্তর আছে।দিস্তর বিশিষ্ট ঝিল্লির উপর ও নিচে প্রোটিন স্তর এবং মাঝখানে লিপিড স্তর আছে। |
উপক্ষার ইহা সাধারণত উদ্ভিজ্জ্জ জৈব এসিডের লবণ যেমন অ্যাসিটিক এসিড, ল্যাকটিক এসিড, টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড ইত্যাদি এসিডের লবণ রূপে উৎপন্ন হয়। উদ্ভিদ ছাড়াও কতক ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক(যেমন Psilocybe গণের ছত্রাক থেকে psilocybin) এবং প্রাণীতে (যেমন ব্যাঙের চামড়া থেকে bufotenin) উপক্ষার পাওয়া যায়। |
জীবন কোষগুলো, কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরুৎপাদিত হয়ে থাকে যার মধ্যমে একটি মাতৃকোষ থেকে দুই বা ততোধিক নতুন কোষের সৃষ্টি হয়। প্রাক-কেন্দ্রিক কোষের জন্য, কোষ বিভাজন হয়ে থাকে ফিশন প্রক্রিয়ায় যেখানে ডিএনএ টির প্রতিলিপি তৈরি হয়, তারপর দুটি অংশই কোষীয় ঝিল্লির বিভিন্ন অংশে সংযুক্ত হয়। সুকেন্দ্রিক কোষে, মাইটোসিসের আরও জটিল একটি প্রক্রিয়া অনুসরিত হয়। যাইহোক, শেষ ফলাফল একই; ফলে কোষ বিভাজনের ফলে সৃষ্ট কোষগুলো তার আদি কোষের সাথে পরিপূর্ণ সমাঞ্জস্য থাকে (মিউটেশনের কোষগুলো ছাড়া) এবং উভয়ই পরবর্তিতে আবার কোষ বিভাজনে সক্ষম থাকে একটি ইন্টারফেজ সময়ের পর থেকে। |
কোলেস্টেরল কলেস্টেরল এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায় এবং যা সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সেল মেমব্রেনের এটি একটি অত্যাবশ্যক উপাদান. এই উপাদান মেমেব্রেনের মধ্য দিয়ে তরল পদার্থের ভেদ্যতা সচল রাখে এবং তার তারল্য বজায় রাখে.এছাড়াও কলেস্টেরল একটি জরুরি প্রিকার্সার মলিকিউল যা বাইল আসিড, স্টেরয়েড হরমোন এবং স্নেহজাতীয় পদার্থে দ্রাব্য ভিটামিনের জৈব সংশ্লেষ ঘটায়.কলেস্টেরল সবচেয়ে জরুরি স্টেরল যা প্রাণীদেহে সংশ্লেষিত হয়. কিন্তু অনান্য ইউকারইওট যেমন গাছপালা এবং ছত্রাকের দেহে এটি অল্প পরিমাণে সংশ্লেষিত হয় . প্রোক্যারিওট যেমন ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এটি একবারেই দেখা যায় না. |
বহুকোষী জীব ভাইরাস থেকে গৃহীত জিনগুলি অতি সম্প্রতি শনাক্ত করা হয়েছে যা বহুকোষী প্রাণীর টিস্যু ও অঙ্গের পৃথকীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং যৌন প্রজনন যেমন- ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর একীভূত হওয়াতেও ভূমিকা পালন করতে পারে। এই একীভূত কোষগুলো মেটাজোয়ান ঝিল্লির সাথে এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে এরা অমরা (প্লাসেন্টা) এবং মস্তিষ্ক ও শরীরের পৃথকীকরণ ঝিল্লিতে রাসায়নিক পদার্থ অতিক্রম করতে বাধা দেয়।দুই ধরণের ভাইরাসের উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে। প্রথমটি হল সিনসিশিন (syncytin) যা ভাইরাস থেকে এসেছে। দ্বিতীয়টি হল ইএফএফ১ যা ২০০৭ সালে শনাক্ত করা হয়েছে এবং এটি এফএফ প্রোটিন পরিবারের একটি অংশ ও "Caenorhabditis elegans" এর ত্বকের গঠনে সাহায্য করে। প্যারিসে পাস্তুর ইন্সটিটিউটের ফেলিক্স রে ইএফএফ১ এর 3D গঠন উদ্ভাবন করেছেন এবং দেখিয়েছেন ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষেত্রে এটা এক কোষের সাথে অন্য কোষকে সংযুক্ত করতে কাজ করে। এটা সত্যি যে, সকল পরিচিত কোষ এবং একীভূতকরণের অণুগুলি ভাইরাস থেকে সৃষ্ট এবং বহুকোষীয়তাকে সক্রিয়কারী আন্তঃকোষীয় যোগাযোগ তন্ত্রের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোষীয় একীভূত হওয়ার ক্ষমতা ব্য... |
কীট [[File:Structural organization of the heart of the mosquito Anopheles gambiae - image.ppat.v08.i11.g001.png|thumb|"[[এনোফিলিস গাম্বিয়া]]" [[মশা]]র নলের মতোন [[হৃৎযন্ত্র]] (সবুজ) আনুভূমিকভাবে দেহের মধ্য দিয়ে প্রসারিত হচ্ছে যা [[হীরা|হিরক]] আকৃতির ডানা পেশীর (এটাও সবুজ) সাথে সংলগ্ন এবংহৃদ্ধরা কোষ (লাল) দিয়ে পরিবেষ্টিত। নীল রং [[কোষ (জীববিজ্ঞান)|কোষে]]র [[নিউক্লিয়াস]]কে ফুটিয়ে তুলেছে।]] [[ফুসফুস]] ছাড়াই পতঙ্গের [[শ্বসন]] সম্পন্ন হয়। ফুসফুসের বদলে পতঙ্গের [[শ্বসনতন্ত্র]] বেশ কিছু আভ্যন্তরীন নালী ও থলিকার ব্যবহার করে যাদের মধ্য দিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় অথবা সক্রিয়ভাবে পাম্প করার মাধ্যমে [[গ্যাস]] প্রবাহিত হয়। এ প্রক্রিয়ায় [[ট্রাকিয়া]]’র (রেখাচিত্রের ৮ নং উপাদান) মাধ্যমে বাইরের [[অক্সিজেন]] সরাসরি প্রয়োজনীয় [[কলা (জীববিজ্ঞান)|কলা]]য় প্রদান করা হয়। সরাসরি অক্সিজেন সংবহনের কারণে [[রক্তসংবহনতন্ত্র]] এ কাজে ব্যবহৃত হয় না যার ফলে সেটি আকারে অনেক বেশি হ্রাস পায়। পতঙ্গের রক্তসংবহনতন্ত্রে কোনো ধরণের [[শিরা]] বা [[ধমনী]] নেই, বরং এটি সচ্ছিদ্র পৃষ্ঠীয় নল দিয়ে তৈরী যা [[পেরিস্ট... |
কোষ (জীববিজ্ঞান) প্রকৃত কোষগুলো আকারে একটি আদর্শ আদি কোষের ন্যূনতম ১০ গুণ বড় এবং এর আয়তন আদি কোষের তুলনায় সর্বোচ্চ ১০০০ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। আদি এবং প্রকৃত কোষের মধ্য মূল পার্থক্য হচ্ছে, আদি কোষের মধ্যে ঝিল্লি দ্বারা আবৃত কক্ষ থাকে যার মধ্যে নির্দিষ্ট বিপাকীয় কার্যাবলী সম্পাদিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কোষ নিউক্লিয়াস যার মধ্যে প্রকৃত কোষের ডিএনএ অবস্থান করে। নিউক্লিয়াস একটি ঝিল্লি দ্বারা বেষ্টিত কক্ষ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। এই নিউক্লিয়াসের কারণেই প্রকৃত কোষ তার ইংরেজি নামটি পেয়েছে। ইরেজি নাম "ইউক্যারিয়টিক"-এর অর্থ "প্রকৃত নিউক্লিয়াস"। অন্যান্য পার্থক্যের মধ্যে রয়েছে: |
সুকেন্দ্রিক এই তত্ত্ব অনুসারে, সুকেন্দ্রিক কোষের উৎপত্তি একটি মিথেন উৎপাদক আর্কিয়া ও একটি ডেল্টাপ্রোটোব্যাক্টেরিয়ার বিপাকীয় মিথোজীবীত্বের ফলে ঘটে। অবায়ুজীবী পরিবেশে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে হাইড্রোজেনের আদান-প্রদানের ফলে এই মিথোজীবিত্ব তৈরি হয়। প্রথম দিকে আলফাপ্রোটিওব্যাক্টেরিয়া এই পদ্ধতির অংশীদার হয়ে ধীরে ধীরে মাইটোকন্ড্রিয়া অঙ্গাণুতে পরিণত হয়। মাইটোকন্ড্রিয়া আত্মসাৎ করার পর মাইটোকন্ড্রিয়ার জিনের সাহায্যে কোষ পর্দা সৃষ্টি হয়েছিল। ডেল্টাপ্রোটোব্যাক্টেরিয়া থেকে আর্কিয়াতে জিন আদান-প্রদানের ফলে মিথেন-উৎপাদক আর্কিয়া নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এরফলে আর্কিয়া থেকে সুকেন্দ্রিক কোষের জিন সরঞ্জাম ও ডেল্টাপ্রোটোব্যাক্টেরিয়া থেকে সাইটোপ্লাজমীয় বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। |
ডিএনএ ভাইরাস এই ভাইরাস ননলাইটিক এবং জিনোম এনক্লোজিং একটি লিপিড ভাস্কর্য দ্বারা চিহ্নিত ভাইরাস গঠন। তাদের নিউক্লিওপরেটিন নেই।ভাইরাল ঝিল্লি মধ্যে লিপিড অনির্দিষ্টভাবে হোস্ট কোষ ঝিল্লি থেকে অর্জিত হয়। ভাইরাস দুই থেকে তিন প্রধান কাঠামোগত প্রোটিন, যা হয় বহিরাগত ঝিল্লি পৃষ্ঠের উপর এলোমেলোভাবে বিতরণ ঝিল্লি বা ফর্ম স্পাইক মধ্যে এমবেড করা হয় থাকে। |
ক্রোমাটিন ক্রোমাটিন ডিএনএ ও প্রোটিনের মিশ্রন বা সংযুক্তি যা কোষের নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ উপাদান। ইউক্যারিওটিক কোষের নিউক্লিয়াসে ডিএনএ বিভিন্ন সংখ্যক ক্রোমোজোমে বিন্যস্ত থাকে। যেমন মানুষের ডিএনএ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমে বিন্যস্ত। প্রত্যেকটি ক্রোমোজোম একটি একক, দীর্ঘ, ও রৈখিক ডিএনএ অণু নিয়ে গঠিত যার সাথে বিভিন্ন প্রোটিন যুক্ত থেকে দীর্ঘ ডিএনএটিকে ঘনবিন্যস্ত করে। ডিএনএ এবং প্রোটিনের এই সহবস্থানের ফলে গঠিত কাঠামোই ক্রোমাটিন। প্রোটিনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হিস্টোন প্রোটিন। ক্রোমাটিনে সাধারণত পাঁচ প্রকার হিস্টোন প্রোটিন পাওয়া যায়, যথা- এইচ১(H1), এইচ২এ(H2A), এইচ২বি(H2B), এইচ৩(H3), এইচ৪(H4)। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন রকমের নন-হিস্টোন ক্রোমোজোমাল প্রোটিন। ক্রোমাটিন দীর্ঘ ডিএনএকে ঘনবিন্যস্ত করে ক্ষুদ্র কোষের জন্য উপযুক্ত করা সহ ডিএনএ রেপ্লিকেশন, ডিএনএ রিপেয়ার, জিন অভিব্যক্তি, কোষ বিভাজনের মত কাজে অংশগ্রহন করে। ক্রোমাটিন শুধু ইউক্যারিওটিক কোষেই পাওয়া যায়, প্রোক্যারিওটিক কোষে এর পরিবর্তে পাওয়া যায় জিনোফোর। |
মানব প্রজনন মানুষের স্ত্রী প্রজনন তন্ত্র দুটি প্রধান অংশের সমন্বয়ে গঠিতঃ প্রথমত, জরায়ু, যেখানে ফিটাস বিকশিত হয়, যোনীয় ও জরায়ুজ ক্ষরণ উৎপন্ন হয় এবং পুরুষের শুক্রাণু ফেলোপিয়ান নালিতে পরিবহন করে নিয়ে যায়; এবং দ্বিতীয় প্রধান অংশ হচ্ছে ডিম্বাশয়, যা ডিম্বাণু উৎপন্ন করে। এ সবই শরীরের অভ্যন্তরীন অংশ। যোনি শরীরের বাইরে ভালভার সাথে যুক্ত যা লেবিয়া, ক্লিটোরিস, এবং মূত্রনালী নিয়ে গঠিত। যোনি, জরায়ুর সাথে সারভিক্স দ্বারা সংযুক্ত; ডিম্বাশয়, উভয় পাশে দুই ফেলোপিয়ান নালির মাধ্যমে জরায়ুর সাথে সংযুক্ত। নির্দিষ্ট সময়ে ডিম্বাশয়, ডিম্বাণু ক্ষরণ করে যা ফেলোপিয়ান নালি হয়ে জরায়ুতে এসে পৌঁছে। |
মস্তিষ্ক আবরণী ডুরা ম্যাটার (dura mater) () ("মেনিংক্স ফাইব্রোসা" বা "পেকীমেনিংক্স") করোটির হাড়ের কাছে থাকা একটি শক্ত আবরণী। এর একেবারে বাইরের অংশে ইতস্তত লেগে থাকা ফাইব্রোইলাষ্টিক কোষের সমষ্টি। কোষের বাইরে কোলাজেন থাকে না এবং যথেষ্ট খালি স্থান থাকে। বাকী অংশকে দুটি স্তরে ভাগ করা যায়: "অধঃঅস্থীয় স্তর" (endosteal layer) এবং "আবরণীস্তর" (meningeal layer)। অধো-অস্থীয় স্তরটি করোটির ভিতরদিকের তলটিতে লেগে থেকে তাকে আবরণ করে রাখে। করোটির ভিতরদিকে থাকা মহারন্ধ্র দিয়ে এটি পার হয় না। কিন্তু করোটির অন্য অনেকগুলি ছিদ্র দিয়ে এটি করোটির বাইরে পর্যন্ত উঠে গিয়ে করোটির বহিঃপৃষ্ঠকে ঢেকে রাখে। অন্যদিকে, আবরণী স্তরটি ঘন আঁশে গঠিত। এটি সম্পূর্ণ মস্তিষ্কটি ঢেকে রাখে এবং মহারন্ধ্র দিয়ে সরকি স্নায়ুরজ্জুর ডুরা ম্যাটার আবরণীরও সৃষ্টি করে। |
কোষ বিভাজন " যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম কোনো জটিল মাধ্যমিক পর্যায় ছাড়াই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য(শিশু) কোষের সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলে"। প্রক্রিয়া: অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের জটিলতা ছাড়াই সরাসরি মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে। এক্ষেএে নিউক্লিয়াসটি প্রত্যক্ষ সরাসরি দু ভাগে ভাগ হয়। নিউক্লিয়াসটি প্রথমে লম্বা হয় ও মাঋখানে ভাগ হয়ে নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়।পরে কোষটির মধ্যভাগে একটি চক্রাকার গর্ত ভেতরের দিকে ঢুকে গিয়ে পরিশেষে দু ভাগে ভাগ করে ফেলে।ফলে ১টি কোষ ২টি অপত্য কোষে(daughter cell) পরিণত হয়।প্রতিটি অপত্য কোষ ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে মাতৃকোষের আকৃতি লাভ করে। |
মস্তিষ্কের বিবর্তন এই ব্রেইনস্টেম এবং লিম্বিক প্রক্রিয়া মূলত নিউক্লি এর উপর নির্ভর করে যা মূলত শক্তভাবে বস্তাবন্দী নিউরোন এবং এক্সন তন্তু যা একে অপরকে যুক্ত করে এবং অনন্যা স্থানেও। অন্য দুটি প্রধান মস্তিষ্ক অঞ্চল ( সেরেব্রাম এবং সেরেবেলাম) একটি করটিকাল স্থাপত্যের উপর ভিত্তি করে। কর্টেক্সের বাইরের পরিধিতে নিউরোন কয়েক মিলিমিটার পুরু স্তর আকারে বিন্যস্ত থাকে (যার সংখ্যার তারতম্য ঘটে প্রজাতির এবং কাজ অনুযায়ী)। এখানে অ্যাক্সন থাকে যা স্তরের মধ্য দিয়ে চলাচল করে তবে অধিকাংশ অ্যাক্সনের ভর নিজেদের নিউরোন থেকে নীচে। যেহেতু করটিকাল নিউরোন এবং তাদের অধিকাংশ আক্সন তন্তুকে স্থানের জন্য প্রতিযোগিতা করতে হয় না করটিকাল কাঠামো আকার পরিবর্তন করতে পারে পারমাণবিক গুলোর তুলনায় আরো বেশী সহজে। কর্টেক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি পৃষ্ঠ এলাকার সঙ্গে তুল্য হয়, এটি "আরও" মাপসই হতে পারে মস্তকে কুণ্ডলীর পরিচয় ঘটিয়ে, একই ভাবে যেভাবে কটি ডিনার ন্যাপকিন স্তূপে পরিণত করা যায় কাচের মধ্যে স্টাফ দ্বারা । কুণ্ডলীর মাত্রা সাধারণত বৃহত্তর বেশি বিবর্তিত প্রজাতিতে, যা বর্ধিত পৃষ্ঠ এলাকা থেকে উপকৃত হয়। |
কোডিট জড় বস্তু থেকে জীবন্ত বস্তুর জন্ম হতে পারে- অজীবজনি নামক এই তত্ত্বের সাথে সঙ্গতি রেখে একসময় বিজ্ঞানীরা প্রথাগতভাবে বিশ্বাস করতেন যে, বৃক্ষের অবক্ষয়ের কারণেই ছত্রাকের বিকাশ ঘটে। কিন্তু জার্ম তত্ত্বের আবির্ভাবের ফলে ২০ শতকে জার্মান বনবিদ রবার্ট হার্টিগ পূর্বতন ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীতের মতবাদ দিলেন এবং বৃক্ষের অবক্ষয়ের একটি নতুন মডেল প্রনয়ণ করলেনঃ বৃক্ষ যখন আঘাত পায়, সেই ক্ষততে ছত্রাক সংক্রমণ করে, আর এর ফলেই কাঠের ক্ষয় হয়। সময়ের সাথে সাথে, শাইগো এবং আরোও অনেকের গবেষণা এই তত্ত্বকে প্রসারিত করে এবং জন্ম দেয় বৃক্ষ অবক্ষয়ের আধুনিক ধারণা। এই ধারণা মতে, বৃক্ষের মাঝে কোনো ধরণের ক্ষত নানা রকম কাষ্ঠ অবক্ষয়ি জীবের প্রবেশের পথ করে দেয়। তাছাড়াও, এই প্রসারিত ধারনাটি অবক্ষয় ও সংক্রমণের প্রতি শারীরিক ও রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বৃক্ষের সাড়া প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় আনে যেখানে বৃক্ষের ক্ষতিগ্রস্থ কলা অন্যান্য সুস্থ কলার সাথে দেয়াল তুলে দিয়ে বা প্রকোষ্ঠ তৈরি করে আলাদা হয়ে যায়। |
ট্রাকোমা যে ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই রোগ সৃষ্টি হয় তা আক্রান্ত ব্যক্তির চোখ অথবা নাক হতে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ সংস্পর্শে ছড়াতে পারে। পরোক্ষ সংস্পর্শের মধ্যে আছে পোষাক অথবা মাছি যা আক্রান্ত ব্যক্তির চোখ অথবা নাকের সংস্পর্শে আসে। নেত্রপল্লবে গুরুতর ক্ষত তৈরি হয়ে চোখের পাঁপড়ি চোখে ঘষা লাগতে শুরু করার পূর্বে অনেক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে সাধারণত বেশ কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। শিশুরা সাধারণ বয়স্কদের চেয়ে বেশি এই রোগ ছড়ায়। নিম্নমানের পয়নিষ্কাশন, জনাকীর্ণ আবাস্থল, অপর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি এবং শৌচাগারও এই রোগ ছড়ায়। |
সুকেন্দ্রিক ক্রমিক অন্তঃমিথোজীবিত্ব তত্ত্ব অনুসারে, চলনশীল অবায়ুজীবী ব্যাক্টেরিয়া ও অম্ল ও গন্ধকযুক্ত আবহাওয়ায় বসবাসকারী ক্রেনার্কিয়ার সংযুক্তির ফলে সুকেন্দ্রিক কোষের সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে অম্ল ও গন্ধক যুক্ত জলে বসবাসকারী জীবদের চলমান হতে সহায়তা করে। যে সমস্ত জীবের বিপাকীয় সরঞ্জাম নেই, অক্সিজেন তাদের পক্ষে ক্ষতিকর। এই সংযুক্তির ফলে আর্কিয়া ব্যাক্টেরিয়ার কোষে একটি বিজারক পরিবেশ সৃষ্টি করে যার ফলে সালফার ও অম্লের সালফেট বিজারিত হয়ে সালফাইড যৌগে পরিণত হয়। কম বায়ু যুক্ত পরিবেশে অক্সিজেন বিজারিত হয়ে জলে পরিণত হয় বলে ব্যাক্টেরিয়ার পক্ষে অক্সিজেন উপকারী রাসায়নিক উপাদান হিসেবে পরিণত হয়। অপরপক্ষে ব্যাক্টেরিয়া আর্কিয়ার চলমানতার জন্য প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন গ্রাহক সরবরাহ করে। ব্যাক্টেরিয়া ও আর্কিয়ার ডিএনএ সংযুক্ত হয়ে সুপকেন্দ্রিক কোষের জিনোম সৃষ্টি করে। আলফাপ্রোটিওব্যাক্টেরিয়া ও সায়ানোব্যাক্টেরিয়া অন্তঃমিথোজীবিত্বের ফলে এই সকল কোষে যুক্ত হয়ে যথাক্রমে মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন করে। |
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একপ্রকার জালিকাকার অঙ্গাণু। এরা একক আবরণী ঝিল্লি দ্বারা বেষ্টিত অসংখ্য সূক্ষ সূক্ষ নালিকা এবং পরস্পর সংযোগ স্থাপন করে একটি জালকের সৃষ্টি করে। ১৯৪৫ সালে পর্টার (PORTER) যকৃত কোষে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম আবিষ্কার করেন। |
ছত্রাক পেনিসিলিনসহ বহু মূল্যবান ঔষধ ছত্রাক থেকে থেকে তৈরি করা হয়। পাউরুটি তৈরিতে ইস্ট নামক ছত্রাক ব্যবহার করা হয়।ইস্ট ভিটামিন সমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।এগারিকাস নামক একধরণের মাশরুম ছত্রাক শৌখিন খাদ্য বলে বিবেচিত।বর্তমানে বাংলাদেশদেশসহ বহু দেশে চাষ করা হয়।আবর্জনা পঁচিয়ে মাটিতে মেশাতে ছত্রাকের ভূমিকা রয়েছে। |
সেন্ট্রিওল উৎপত্তি ও ভৌত গঠন: ধারণা করা হয় আদি সেন্ট্রিওল হতে সরাসরি বিভাজনের মাধ্যমে সেন্ট্রিওল উৎপত্তি হয়। স্নায়ুকোষ ব্যতীত প্রায় অন্য সকল কোষেই সেন্ট্রিওল দেখা যায়। সাধারণত প্রতি কোষে একটি সেন্ট্রোজোম দেখা যায় যা দুটি সেন্ট্রিওল ধারন করে। অণুবীক্ষণ যন্ত্রে সেন্ট্রিওলকে দুমুখ খোলা পিপার মত দেখা যায়। এর দৈর্ঘ্য 300-500 ন্যানোমিটার । প্রতিটি সেন্ট্রিওলে তিনটি অংশ বিদ্যমান । এগুলি হল: সিলিন্ডার প্রাচীর, ত্রয়ী অণুনালিকা এবং যোজক। প্রস্থচ্ছেদে প্রতি সেন্ট্রিওলে 9টি অণুনালিকা দেখা যায়। ঘন ও সন্নিবিষ্ট 3টি উপনালিকা এক একটি ত্রয়ী গঠন করে।প্রতিটি ত্রয়ী পরস্পর সমদুরত্বে অবস্থিত এবং পরিধির সাথে 30 ডিগ্রি কোণ করে অবস্থান করে। উপনালিকাগুলোকে Threadgold A,B,C নামে চিহ্নিত করেছেন ।এরা পার্শবর্তী নালিকার সাথে তন্তু দ্বারা যুক্ত থাকে। |
নীলাঞ্জির এদের শুককীট সাধারণত সবুজ রঙের হয় যেখানে হলুদ কলারের মত দাগ থাকে।এখানে বাদামী ছত্রাক বা শ্যাওলা জাতীয় উদ্ভিদের রঙের মত চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। সাইট্রাস বা লেবু-কমলা জাতীয় ফল জাতীয় উদ্ভিদ থেকে এরা খাদ্য সংগ্রহ করে থাকে। |
খুশকি ৬) ম্যালেসেজিয়া নামক এক ধরনের ছত্রাকের কারণে খুশকি হতে পারে। মূলত এই ছত্রাকটি সকলের ত্বকেই কম আর বেশি থাকে। এটি সাধারনত কোন সমস্যার সৃষ্টি করে না। কিন্তু এটির পরিমাণ ত্বকে যখন বেশি হয়ে যায় তখন তা ত্বক থেকে তেল শুষে নেয় এবং ত্বককে শুষ্ক করে তোলে। ফলে অতিরিক্ত ত্বকীয় কোষ উৎপাদিত হতে থাকে এবং বেশী সংখ্যাক কোষ মৃত হতে থাকে এবং কোষ গুলি মারা গেলে তা চুলের তেলের সাথে মিশে খুশকির সৃষ্টি করে। |
গ্যালভানিক কোষ গ্যালভানিক কোষ যা লুইজি গ্যালভানির নামানুসারে গঠিত হয়েছে, তা দুটি আলাদা ধাতুর তৈরি তড়িতদ্বারকে একটি লবণ সেতু বা দুটি আলাদা অর্ধকোষকে একটি পোরোয়াস ডিস্কের সংযোগে তৈরি করা হয়। একে ভলটায়িক কোষ বা ইলেকট্রোকেমিক্যাল কোষও বলা হয়ে থাকে। |
কশেরুকা কশেরুকার বৃহত্তর অংশটিকে "দেহ" বলে এবং এর কেন্দ্রের অংশকে "সেন্ট্রাম" বলে।দেহের উপর-নিচ পৃষ্ঠে আন্তঃকশেরুকা চাকতি লেগে থাকে।কশেরুকার পিছনের অংশ "আর্চ" গঠন করে,যেখানে দুটি "পেডিকল",দুটি "ল্যামিনা" এবং কিছু "প্রসেস" আছে।পেডিকলের আকৃতির কারণে কশেরুকিয় খাঁজের সৃষ্টি হয় যা আন্তঃকশেরুকা ফুটো গঠন করে,যার মধ্য দিয়ে সুষুম্না স্নায়ু প্রবেশ করে এবং বের হয়।কশেরুকার যে বড় ছিদ্র আছে,তাকে কশেরুকিয় ছিদ্র বলে।সকল কশেরুকার ছিদ্র সম্মিলিতভাবে ভার্টিব্রাল ক্যানেল নির্মাণ করে।এর ভেতর দিয়ে সুষুম্না কাণ্ড অতিক্রম করে। |
রোগ সংক্রামক জীবাণু স্তন্যপায়ী প্রাণীর শৈবাল বা শেত্তলাজাত প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট পরিচিত রোগগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রোগ হল প্রোটোথিকোসিস (protothecosis)। প্রোটোথিকোসিস প্রোটোথিকা (prototheca) নামক এক ধরনের ক্লোরোফিলবিহীন সবুজ শৈবাল দ্বারা সৃষ্ট এবং এই রোগ কুকুর, বিড়াল, গরু, এবং মানুষের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। |
পর্শুকা পর্শুকা বা পিঞ্জরাস্থি মানবদেহের এক প্রকার সরু,লম্বা, বাঁকা,অস্থি। মানবদেহে ১২ জোড়া পর্শুকা আছে।এগুলো হলো বুকের অস্থি।পর্শুকার পশ্চাৎপ্রান্তে ফ্যাসেটবাহী মস্তক(Capichulam-ক্যাপিচুলাম)।ক্রেস্টবাহী গ্রীবা,সহযোগীতল সহ টিউবার্কল এবং কোণ সৃষ্টি করে যা বাকানো দেহ দিয়ে গঠিত।মস্তক,গ্রীবা থোরাসিক কশেরুকার দেহের সাথে যুক্ত থাকে।টিউবার্কল দ্বারা একই কশেরুকার ট্রান্সভার্স প্রসেসের সঙ্গে যুক্ত থাকে। পর্শুকার সম্মুখ প্রান্ত তরুনাস্থিময়।প্রথম ৭ জোড়া পর্শুকা এদের তরুনাস্থি দিয়ে স্টার্নামের সাথে যুক্ত থাকে এগুলো আসল পর্শুকা। বাকী ৫ জোড়া নকল কারণ স্টার্নামের সাথে যুক্ত না। ৮ম,৯ম,১০ম পর্শুকা উপরিস্থিত পর্শুকার তরুণাস্থির সাথে যুক্ত হয়ে কোস্টাল আর্চ( costal arch) গঠন করে। ১১ ও ১২ নং পর্শুকা সামনে মাংসপেশীতে উন্মুক্ত থাকে। প্রথম পর্শুকাজোড়ার উপরিতলে পেশি সংযোজনের জন্য দুটি এবং সাবক্লাভিয়ান শিরা ও ধমনি ধারণের জন্য দুটি খাদ থাকে। উপরে নিচে দুই কোস্টাল তরুণাস্থির মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানকে ইন্টারকোস্টাল স্পেস বলে। |
অণুচক্রিকা অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট বা প্লেটলেট হল অতিক্ষুদ্র, অনিয়মিত আকারের কোষ (এতে কোন ডিএনএধারী নিউক্লিয়াস নেই)। এর ব্যাস ২-৩ µm এবং প্রিকার্সর মেগাকারিওসাইটের গাঁজান থেকে সৃষ্টি হয়। এর আয়ু বড়জোর ৫-৯ দিন। অণুচক্রিকা বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উৎস। স্তন্যপায়ীদের দেহে এরা সংবাহিত হয় এবং রক্ততঞ্চনে অর্থাৎ ক্ষতস্থানের রক্ত জমাট বাঁধায় নিয়োজিত থাকে। অণুচক্রিকা সূতার আঁশের ন্যায় রক্তকে জমাট বাঁধায়। |
কোষ ঝিল্লি পুরুকোষ ঝিল্লি তিনটি স্তর দিয়ে গঠিত । বিভিন্ন প্রকার কোষে যত প্রকার ঝিল্লি থাকে তাহাদের সকলেরই মৌলিক গঠন ত্রিস্তর বিশিষ্ট একক ঝিল্লি । মাঝে একটি পাতলা স্তর থাকে এবং তার দুই পাশে দুটি পাতলা স্তর থাকে । বাইরের দিকের স্তরটি বেশি পুরু থাকে । মাঝের পাতলা স্তরে লিপিড থাকে এবং দুই পাশে প্রোটিনে পুরু স্তর থাকে । লিপিড স্তর 35Å পুরু । এবং দুই পাশের প্রোটিন স্তর 20Å পুরু । পুরো প্লাজমা ঝিল্লির বেধ 75Å । (20+35+20=75Å) । প্লাজমা ঝিল্লিতে ক্ষুদ্র,ক্ষুদ্র 8-50Å ব্যাস বিশিষ্ট ছিদ্র থাকে । প্লাজমা ঝিল্লিতে বেশি জল থাকে না । এতে মাত্র 25% জল থাকে । |
লাইকেন এরূপ মিথোজীবিতা ছত্রাককে পুষ্টি সরবরাহ করে বলে ছত্রাক এর ২০% প্রজাতি এরূপ মিথোজীবিতা গ্রহণ করেছে। Ascomycota পর্বে সর্বাধিক, ছত্রাকের ৪০% প্রজাতি লাইকেন হিসেবে থাকে। কিছু ছত্রাক যা লাইকেন গঠন করে, তারা যেসব ছত্রাক উদ্ভিদ দেহে পরজীবী তাদের সাথে একই বর্গে অবস্থান করে। অবশিষ্ট লাইকেন গঠনকারী ছত্রাক পাঁচটি বর্গে বিস্তৃত যাদের সকল সদস্যই লাইকেন গঠন করে( বর্গগুলো হচ্ছেঃ Graphidales, Gyalectales, Peltigerales, Pertusariales, এবং Teloschistales)। লাইকেন গঠনকারী ছত্রাক এবং সাধারণ ছত্রাক উভয়েই একই গণ অথবা প্রজাতির সদস্য হতে পারে। লাইকেনের অটোট্রফিক সদস্যটি প্রোক্যারিওট ও হতে পারে অথবা ইউক্যারিওট ও হতে পারে। লাইকেন সৃষ্টিকারী ছত্রাকদের সাথে প্রায় ১০০ প্রজাতির সালোকসংশ্লেষণক্ষম সঙ্গীর সহাবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে যারা ৪০ টি গণ এবং ৫ টি ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণী(প্রোক্যারিওট : Cyanophyceae; ইউক্যারিওট : Trebouxiophyceae, Phaeophyceae, Chlorophyceae) এর অন্তর্ভুক্ত। প্রোক্যারিওটিক সদস্যরা হচ্ছে মূলত সায়ানোব্যাকটেরিয়া যারা নীলসবুজ শৈবাল নামে ও পরিচিত। আমাদের পরিচিত লাইকেন সমূহের মধ্যে ৮% লাইকেনে ... |
চোখ এটা হল চোখের আলোক সংবেদী অংশ। এটা আলোকরশ্মিকে তড়িৎ সংকেতে (electrical signal) রূপান্তর করে দর্শন স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়। রেটিনায় দুই ধরনের আলোকসংবেদী কোষ (photoreceptor) থাকে। এরা হল – রডকোষ (rod) এবং কোন্কোষ (cone)। রডকোষ আবছা/মৃদু আলোতে দেখতে সাহায্য করে, আর কোন্কোষ স্বভাবিক/উজ্জ্বল আলোতে দেখতে সাহায্য করে। কোন্কোষ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন রং চিনতে পারি এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারি। অর্থাৎ আমাদের রঙিন বস্তু দর্শনে কোন্কোষগুলো দায়ী। |
বাংলাদেশের জেলা শিল্পকলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ? |
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতিক যথার্থ পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্য শেখ মুজিবুর রহমান পাশ করেছিলেন বাংলা একাডেমি এ্যাকট। পরবর্তিতে জাতীয় সংস্কৃতির গৌরবময় বিকাশকে জাতীয় আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে গৃহীত “বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী এ্যাক্ট ১৯৭৪” (এ্যাকট নং ৩১ অফ ১৯৭৪) অনুসারে "বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী" প্রতিষ্ঠিত হয়। একাডেমীর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম। |
পুলিনবিহারী দাস নতুন সৃষ্ট দুই রাজ্য, পূর্ববঙ্গ ও আসামে ১৯০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিপিন চন্দ্র পাল ও প্রমথ নাথ মিত্রের সফর পুলিন বিহারির ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বিদেশী শাসন শৃঙ্খল থেকে ভারতমাতার মুক্তির জন্য প্রমথ নাথের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে পুলীনবিহারী দাস এগিয়ে আসেন এবং তাঁর উপর ঢাকায় অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠার ভার বর্তায়। অবশেষে সেই বছরেরই অক্টোবর মাসে ৮০ জন যুবকবৃন্দ নিয়ে অধুনা বাংলাদেশের ঢাকায় তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন অনুশীলন সমিতির। তিনি খুব ভালো সংগঠক ছিলেন আর তাই ওনার সাংগঠনিক দক্ষতার গুণে ঐ রাজ্যে অনুশীলন সমিতির পাঁচ শতাধিক শাখাও স্থাপিত হয়। এরপর তিনি সেই ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করলেন ‘ন্যাশানাল স্কুল’ কিন্তু আদতে ওটি ছিল সশস্ত্র বিপ্লবী দল তৈরির একটা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এইখানে প্রথমে ছাত্রদের লাঠি খেলা এবং কাঠের তরোয়ালের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। তারপর তাদের ছোরা ও একদম শেষে পিস্তল ও রিভলভারের সাহায্যে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সশস্ত্র বিপ্লবের জন্য তিরী করা হতো। |
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি মূলত সঙ্গীত, চারুকলা, নৃত্য, মঞ্চনাটক সহ বিবিধ সাংস্কৃতিক বিষয়ের চর্চা এবং বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। |
ঢাকা ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের সময় হতেই ঢাকা এই প্রাদেশিক রাজধানীর শিক্ষার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এই সময়ই ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৯৮০'র দশক পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এর আশেপাশের এলাকাকে "এডুকেশন ডিস্ট্রিক্ট" বলা হতো।১৯৬৫ সালের ১৫ মার্চ ঢাকার মতিঝিলে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ও ১৯৬৮ সালে জুনিয়র স্কুল এবং ১৯৭২ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ হাই স্কুলে উন্নীত হয়৷ ১৯৭৩ সালে এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়৷ পরবর্তীকালে ১৯৯০-৯১ শিক্ষা বছরে সরকারের নির্দেশে মতিঝিল ক্যাম্পাসে স্কুল ভবনের পূর্বদিকে ছাত্রীদের জন্য কলেজ শাখা চালু করা হয় ।এই এডুকেশন ডিস্ট্রিক্টের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ , গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল,ভিকারুননেসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ, উইলস্ লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা কলেজ, নটর ডেম কলেজ, তেজগাঁও কলেজ(পূর্বে নাইট কলেজ), ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুল, ইডেন মহিলা কলেজ, ইষ্ট এন্ড হাই স্কুল, অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়, আজিমপুর গ... |
অলকা দাশ ১৯৬৩ সালে বাংলাদেশ বেতারে উচ্চাংগ সংগীতের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে অলকা দাশ তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে, ১৯৬৭ সালে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে তালিকাভুক্ত হন। উভয় গণমাধ্যমে তিনি ধ্রুপদী সঙ্গীত এবং নজরুল সঙ্গীত-এর তালিকাভুক্ত তথা বর্তমানে অন্যতম সিনিয়র শিল্পী। পিতা গায়নাচার্য সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশের জীবনাবসানের পর ১৯৮৬ সাল থেকে, তিনি সংগীত শিক্ষার্থী সম্মিলনের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন, যা বাংলাদেশের সব থেকে পুরনো সংগীত বিদ্যালয়সমূহের অন্যতম। উক্ত সংগীত প্রতিষ্ঠাণটি গায়নাচার্য সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ ১৯৪২ সালে তালপুকুর পাড়, কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠা করেন। |
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ শাসনামলে "আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া" নামে এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা করে। ১৯৭১-এ বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর ঢাকায় এর কার্যালয় স্থাপিত হয়। ১৯৮৩ সালে বিভাগীয় পুর্নবিন্যাসের মাধ্যমে ঢাকায় প্রধান দপ্তরসহ ৪টি বিভাগে আঞ্চলিক অফিস প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ ছাড়া অধিদপ্তরের অধীনে ১৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর রয়েছে। এ অধিদপ্তর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রাচীন সংস্কৃতি চিহ্নের আবিস্কারের মাধ্যমে ইতিহাস পুনরুদ্ধার এবং আবিস্কৃত স্থাপত্যিক কাঠামোর সংস্কার সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের কাজ করে থাকে। |
ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পে কারিগরিভাবে দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ইস্ট বেঙ্গল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৯ সালের ১০ জুন থেকে এই প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৫২ সালে ইস্ট পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি নামে এর নতুন নাম দেওয়া হয়। ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত এখানে ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট কোর্স এবং কারিগরি পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু ছিল। অর্থনীতিতে চামড়া শিল্পের অবদানের কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ সরকার আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত সিলেবাসে মাধ্যমে ১৯৮০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে নিয়ে আসে। এর নাম দেওয়া হয় বাংলাদেশ কলেজ অব লেদার টেকনোলজি । এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকৌশল বিষয়ে বিএসসি ডিগ্রি দেওয়া শুরু করা হয়। ২০১১ সালে এই প্রতিষ্ঠানটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইনস্টিটিউট করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় “ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি”। |
বাংলাদেশের নাট্যগোষ্ঠী নাট্যগোষ্ঠী সাধারণত মঞ্চে বা সম্পর্কিত মাধ্যমে নাট্যাভিনয় প্রদর্শনকারী সংগঠন বা দল হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিকভাবে ১৭৯৫ সালে, হেরাসিম স্তেপানোভিচ কলকাতায় বেঙ্গলি থিয়েটার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উপমহাদেশের সর্বপ্রথম নাট্যগোষ্ঠীর গোড়াপত্তনের ঘটান। ভারত বিভাজনের পূর্ব বাংলায় নাট্যচর্চা অব্যাহত রাখার জন্য ঢাকায় একাধিক নাট্যগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো, যার মধ্যে ইলিশিয়াম থিয়েটার (১৮৮৮), ক্রাউন থিয়েটার (১৮৯০-৯২) উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি ঢাকার বাইরেও তৈরি হতে তাকে স্থানীয় নাট্যগোষ্ঠী, যার মধ্যে খুলনা থিয়েটার (১৯০০), করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাব (টাঙ্গাইল, ১৯১১), দিনাজপুর নাট্য সমিতি (১৯১৩) অগ্রগন্য। ভারত বিভাজনের পর ১৯৪৭ সালে আরো কিচু নতুন নাট্যগোষ্ঠী তৈরি হয়, যার মধ্যে হাবিব প্রডাকসন্স (ঢাকা, ১৯৫২), ড্রামা সার্কেল (ঢাকা, ১৯৫৫), খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার (বরিশাল, ১৯৬৯) উল্লেখযোগ্য। |
সাহিত্য অকাদেমি সাহিত্য অকাদেমি ভারতের রাষ্ট্রভাষাগুলিতে রচিত সাহিত্যের উন্নতি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে ভারত সরকার কর্তৃক স্থাপিত একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৪ সালের ১২ মার্চ রাজধানী নয়াদিল্লিতে এই সংস্থাটি স্থাপিত হয়। ১৯৫৬ সালের ৭ জানুয়ারি সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ অনুসারে এটি একটি নিবন্ধিত সোসাইটিতে পরিণত হয়। বর্তমানে ভারতের সকল রাজ্যে এই সংস্থার শাখা স্থাপিত হয়েছে। সাহিত্য অকাদেমির অনুমোদিত ভাষাগুলি হল - অসমীয়া, বাংলা, দোরগি, ইংরেজি, গুজরাতি, হিন্দি, কন্নড়, কাশ্মিরি, কোঙ্কণি, মৈথিলি, মলায়লাম, মইথেই, মরাঠি, নেপালি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, রাজস্থানী, সংস্কৃত, সিন্ধি, তামিল, তেলুগু ও উর্দু। |
বাফটা পুরস্কার ১৯৪৭ সালে ডেভিড লিন, আলেকজান্ডার কর্ডা, ক্যারল রিড, চার্লস লাফটন, রজার ম্যানভেল ও অন্যান্যরা মিলে "ব্রিটিশ ফিল্ম একাডেমি" প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫৮ সালে এই একাডেমি সোসাইটি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গিল্ড অব টেলিভিশন প্রডিউসার্স অ্যান্ড ডিরেক্টর্সের সাথে মিলিত হয়। ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা), যা পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা) নাম ধারণ করে। |
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী (সংক্ষেপে - উদীচী) হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১৯৬৮ সালে বিপ্লবী কথাশিল্পী সত্যেন সেন উদীচী গঠন করেন। পরবর্তী সময়ে রণেশ দাশগুপ্ত, শহীদুল্লাহ কায়সার সহ একঝাঁক তরুণ উদীচীর সাথে সম্পৃক্ত হন। জন্মলগ্ন থেকে উদীচী অধিকার, স্বাধীনতা ও সাম্যের সমাজ নির্মাণের সংগ্রাম করে আসছে। উদীচী ’৬৮, ’৬৯, ’৭০, ’৭১ সালে বাঙালির সার্বিক মুক্তির চেতনাকে ধারণ করে গড়ে তোলে সাংস্কৃতিক সংগ্রাম। এ সংগ্রাম গ্রাম-বাংলার পথে-ঘাটে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালে উদীচীর কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। দেশের সকল গণতান্ত্রিক, মৌলবাদবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামে এ সংগঠন বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে সারাদেশে উদীচীর তিন শতাধিক শাখা রয়েছে। দেশের বাইরেও ছয়টি দেশে শাখা রয়েছে উদীচীর। ২০১৩ সালে এই সংঠনটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক লাভ করে। |
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম ১৯৭৩ সালে "চট্টগ্রাম কলাভবন" প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন চিত্রশিল্পী রশিদ চৌধুরী। একই বছর ২৩ এপ্রিল ফরাসি মনীষী মসিয় অঁদ্রে মাল্রো বর্তমান শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে তৎকালীন চট্টগ্রাম কলাভবনের উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম উৎসব ১৯৭৭ উদ্যাপনের উদ্যেশ্যে শিল্প ও সাহিত্য পরিষদের সভাপতি এবং তৎকালীন জেলা প্রশাশক হাসনাত আবদুল হাইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় "চট্টগ্রাম কলাভবন" নামে একটি অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। |
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। এই শিক্ষা বোর্ড ১৯২১ সালে বাংলাদেশের ঢাকা জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকার বকশিবাজার এলাকায় জয়নাগ সড়কে এর বর্তমান দাপ্তরিক ভবন অবস্থিত। |
নাটোর জেলা জেলা শিল্পকলা একাডেমী, মনোবীণা সংঘ, সাকাম সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নাটোর সংগীত বিদ্যালয়, উষা খেলাঘর আসর, ভোলামন বাউল সংগঠন, ইছলাবাড়ী বাউল সংগঠন, নৃত্যাঙ্গন, ডিং ডং ড্যান্স ক্লাব, দিব্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, সারেগামা, সুরের ছোঁয়া, ঝংকার নৃত্য গোষ্ঠি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, ইংগিত থিয়েটার ইত্যাদি। |
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নিম্নলিখিত বিভাগ নিয়ে গঠিত: |
অমর একুশে গ্রন্থমেলা এই মেলার ইতিহাস স্বাধীন বাংলাদেশের মতোই প্রাচীন। যতদূর জানা যায়, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে চিত্তরঞ্জন সাহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে বটতলায় এক টুকরো চটের ওপর কলকাতা থেকে আনা ৩২টি বই সাজিয়ে বইমেলার গোড়াপত্তন করেন। এই ৩২টি বই ছিলো চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত "স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ" (বর্তমান মুক্তধারা প্রকাশনী) থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশী শরণার্থী লেখকদের লেখা বই। এই বইগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের প্রথম অবদান। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি একাই বইমেলা চালিয়ে যান। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অন্যান্যরা অণুপ্রাণিত হোন। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমীর তৎকালীন মহাপরিচালক আশরাফ সিদ্দিকী বাংলা একাডেমীকে মেলার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত করেন। ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে মেলার সাথে যুক্ত হয় বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি; এই সংস্থাটিও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৮৩ সালে কাজী মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে প্রথম "অমর একুশে গ্রন্থমেলা"র আয়োজন সম্পন্ন করেন। কিন্তু স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারে... |
শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর আবহমান গ্রাম বাংলার লোক সাংস্কৃতিক ধারাকে বিকশিত করার উদ্যোগে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর একটি পুরনো বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। পরে ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে ১৫০ বিঘা আয়তনের কমপ্লেক্সে খোলা আকাশের নিচে বাংলার প্রকৃতি ও পরিবেশে গ্রামীণ রূপকেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের শৈল্পিক কর্মকান্ডের পরিচয় তুলে ধরতে শিল্পী জয়নুল আবেদিন এই জাদুঘর উন্মুক্ত পরিবেশে গড়ে তোলার প্রয়াস নেন এবং বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সটি প্রায় ১০০ বছর পুরাতন সর্দার বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। |
আলেকান্দা সরকারি কলেজ, বরিশাল ১৯৫৯ সালের জাতীয় শিক্ষা কমিশনের নির্দেশনা অণুসারে তৎকালীন সরকার পূর্ব পাকিস্তানের ১৬টি জেলা সদরে 'গভ. কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট' স্থাপন করা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ফলশ্রুতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা 'এউএসএইড'-এর আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, বরিশাল এবং সিলেট জেলা শহরে ১৯৬৫ হতে ১৯৬৭ সালের মধ্যে এই কমার্র্শিয়াল ইনস্টিটিউটসমূহ স্থাপিত হয়। |
পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমি পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমি স্থাপিত হয় ১৯৮৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পরেই। এই আকাদেমি স্থাপনের উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গে নাট্য গবেষণা ও নাট্যচর্চার সার্বিক উন্নতি ঘটানো। সেই লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অঙ্গ এই আকাদেমি পরবর্তী দুই দশক জুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রকাশনা ও কর্মশালার মাধ্যমে বাংলা নাটকের সমৃদ্ধি সাধন করে চলেন। |
ভারতের বিপ্লবী স্বাধীনতা আন্দোলন বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে ১৯০৫ সালে ঢাকায় বিপিনচন্দ্র পালের জ্বালাময়ী বক্তৃতার পরেই ১৯০৬ সালে ঢাকা সরকারি কলেজের শিক্ষক এবং পরবর্তী সময়ে ঢাকা 'ন্যাশনাল স্কুল' এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক পুলিনবিহারী দাসের নেতৃত্বে ৮০ জন্য হিন্দু যুবক গঠন করে 'ঢাকা অনুশীলন সমিতি'। অনুশীলন সমিতির প্রতিটি শাখা সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল, তবে অনুশীলন সমিতির সাথে ঢাকার শাখার প্রতিষ্ঠাতা পুলিনবিহারী দাসের সরাসরি সংযোগ ছিল। ভারতবর্ষের প্রখ্যাত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারী যশোরের শচীন্দ্রপ্রসাদ বসু ঢাকা অনুশীলন সমিতির পরিদর্শক ছিলেন। |
সরকারি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সরকারি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশালে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে কলেজটি বিএড কলেজ নামে অধিক পরিচিত। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কাশিপুর গণপাড়া এলাকায় ৩ একর জায়গা জুড়ে ১৯৯৯ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় । প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই কলেজটি শিক্ষক প্রশিক্ষণে ব্যাপকভাবে মান নিয়ন্ত্রন করে অাসছে। বর্তমানে কলেজটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৪ বছর মেয়াদী , ১বছর মেয়াদী , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ বছর মেয়াদী কোর্স চালু রয়েছে। এছাড়াও কলেজটিতে বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স করার সুযোগ বিদ্যমান। কলেজটিতে ইতোপূর্বে অধীনে বিভিন্ন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে । কলেজ ক্যাম্পাসটি অত্যন্ত শান্ত, স্নিগ্ধ ও পুষ্পশোভিত। কলেজটেতে রয়েছে একটি একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, নতুন ভবন, একটি মসজি, একটি অডিটোরিয়াম, একটি শহীদ মিনার , ছাত্র হোস্টেল, ছাত্রী হোস্টেল ইত্যাদি। একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় একটি লাইব্রেরী রয়েছে। |
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, ঢাকার রমনায় সেগুনবাগিচা এলাকার দুর্নীতি দমন কমিশন ভবনের বিপরীতে অবস্থিত। সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর ব্যতীত দেশের ৬৩টি জেলায় "জেলা শিল্পকলা একাডেমী" প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর তত্ত্বাবধানে জেলা শিল্পকলা একাডেমীসমূহ একটি "কার্য নির্বাহী" কমিটি কর্তৃক পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসন পদাধিকার বলে উক্ত কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যেক জেলায় একজন কালচারাল অফিসার রয়েছেন, যিনি জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। |
বাংলা একাডেমি বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলা একাডেমি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। একাডেমির কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে রয়েছেন একজন মহাপরিচালক। এর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম, যিনি ২ জুন ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমান মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী। তিনি ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে দায়িত্বগ্রহণ করেন। |
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম এই একাডেমি জেলাভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি- প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, পরীক্ষা পরিচালনা ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করে থাকে। যার মধ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বাংলা বর্ষ বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান, বসন্ত উৎসব, পৌষ মেলা, লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা, জাতীয় শিশু দিবস, জাতীয় শোক দিবস, রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী, নজরুল জন্মজয়ন্তী, বিশ্বসঙ্গীত দিবস, বিশ্ব নাট্য দিবস, আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস, ঋতু ভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাৎসরিক চারুকলা প্রদর্শনী, আবৃত্তি উৎসব, নাট্য উৎসব, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ত্রৈমাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, গুণীজনদের জন্ম-মৃত্যু উদযাপনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। প্রতিবছর এই একাডেমিতে বিভিন্ন নাট্যউৎসব আয়োজিত হয়ে থাকে। |
বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ ১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক সরকারের উদ্যোগে ঢাকায় রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল নামে একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠায় অনেকাংশে ক্যাডেট কলেজের অনুকরণ করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পাবনা ও রংপুর জেলায় রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলটি কেবল মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়। ক্যাডেট কলেজ ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল দুটি একই ধারার আবিসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলওে এদের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। ক্যাডেট কলেজ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত থাকে সরাসরি সেনা বাহিনী সদর দপ্তরের উপর। কিন্তু দেশের অন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব থাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর। |
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হচ্ছে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারী সংস্থা এবং গবেষণা কেন্দ্র যা গবেষণার মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন উন্নত করার উপায় এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রদান করে থাকে। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। এটি ছোট-মধ্যম প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। বিটাক এর মোট পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়/শাখা রয়েছে যেগুলো, ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, খুলনা এবং বগুড়ায় অবস্থিত। 'বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র' এর পূর্ব নাম ছিল 'পাকিস্তান শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র' যা IRDC ও PIPS এর সংযুক্তির মাধ্যমে ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রপ্তির পর এটির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (সংক্ষেপে বিটাক) করা হয়। |
অনুশীলন সমিতি বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে ১৯০৫ সালে ঢাকায় বিপিনচন্দ্র পালের জ্বালাময়ী বক্তৃতার পরেই ১৯০৬ সালে ঢাকা সরকারি কলেজের শিক্ষক এবং পরবর্তী সময়ে ঢাকা 'ন্যাশনাল স্কুল' এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক পুলিনবিহারী দাসের নেতৃত্বে ৮০ জন্য হিন্দু যুবক গঠন করে ঢাকা অনুশীলন সমিতি। অনুশীলন সমিতির প্রতিটি শাখা সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল, তবে অনুশীলন সমিতির সাথে ঢাকার শাখার প্রতিষ্ঠাতা পুলিনবিহারী দাসের সরাসরি সংযোগ ছিল। ভারতবর্ষের প্রখ্যাত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারী যশোরের শচীন্দ্রপ্রসাদ বসু ঢাকা অনুশীলন সমিতির পরিদর্শক ছিলেন। |
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭শে মে তৎকালীন সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত বিএইড(VAID) প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গ্রামের অবহেলিত জনমানুষের সমস্যাসহ গ্রামের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তান গ্রাম উন্নয়ন একাডেমী নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে নেতৃত্ব দেন প্রখ্যাত পল্লী উন্নয়ন গবেষক, দার্শনিক ও সমাজসেবক ড. আখতার হামিদ খান। পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান নামে নামান্তরিত হয়। |
ঢাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কে মূল ধরে তার পার্শ্ববর্তী এলাকা হচ্ছে ঢাকা শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা একাডেমি, চারুকলা ইনস্টিটিউট, কেন্দ্রীয় গণ গ্রন্থাগার ও জাতীয় জাদুঘর এলাকা সংস্কৃতি-কর্মীদের চর্চা ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীর মূল ক্ষেত্র। এর বাইরে বেইলি রোডকে "নাটকপাড়া" বলা হয় সেখানকার নাট্যমঞ্চগুলোর জন্য। এছাড়াও নবনির্মিত শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হল এবং অন্যান্য মঞ্চসমূহ নাট্য ও সঙ্গীত উৎসবে সব সময়ই সাংস্কৃতিক চর্চাকে অব্যাহত ধারায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় বছরের বিভিন্ন সময়ে নাট্যোৎসব ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের পুরোটা জুড়ে বাংলা একাডেমিতে একুশে বইমেলার আয়োজন করা হয়। বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে পহেলা বৈশাখে রমনা পার্কে ছায়ানটের অনুষ্ঠানসহ সারাদিন গোটা অঞ্চলে সাংস্কৃতিক উৎসব চলে। সাংস্কৃতিক হৃদ্যতার ধারাবাহিকতায় সেগুনবাগিচার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরও সারা বছর ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে। |
বাংলাদেশের গভঃ কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটসমূহের তালিকা ১৯৫৯ সালের জাতীয় শিক্ষা কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে তৎকালীন সরকার পূর্ব পাকিস্তানের ১৬টি জেলা সদরে গভ. কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট স্থাপন করা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ফলশ্রুতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা 'এউএসএইড'-এর আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় ১৯৬৫ হতে ১৯৬৭ সালের মধ্যে এই কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটসমূহ স্থাপিত হয়। ২০১৬ ইং তারিখে এ এই সকল কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট কে সাধারণ কলেজে রূপান্তর করে বিজ্ঞান মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা খোলার অনুমোদন দিয়ে স্ব স্ব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। এর ফলে কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট সমুহের নাম পরিবর্তন এনে বিভিন্ন নামকরণ করা হয়। |
জাতীয় চিত্রশালা (বাংলাদেশ) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী যেটিকে বর্তমানে ন্যাশনাল একাডেমী অফ ফাইন অ্যান্ড পারফর্মীং আর্টস নামে অভিহিত করা হয় সেটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পাকিস্তান আর্ট কাউন্সিলের কাছ থেকে এটির দায়-দায়িত্ব নিয়ে নেয়। ২০০৩ সালে এই একাডেমী দেশের একমাত্র ললিতকলার সংরক্ষক এবং অভিভাবকে পরিণত হয় এবং জাতীয় চিত্রশালা প্রতিষ্ঠা করে। |